পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি নিরসনে ব্যাখ্যা দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
জ্বালানি তেল আমদানি
দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে সরকার পৃথক চারটি প্রস্তাবের বিপরীতে ১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে
ইরান ও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়াবে চীন। নতুন টার্মিনাল ও জাহাজ চালু হওয়ায় চলতি মার্চ থেকে চীন তেল আমদানি বৃদ্ধি করবে বলে জানা গেছে।
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ১৬ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আমদানি করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। জি-টু-জি চুক্তির আওতায় ২০২৩ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের জন্য এই পরিমাণ জ্বালানি আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ১২ হাজার ৮৫০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।
বেসরকারিভাবে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে। বোধকরি, বাংলাদেশকে যে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে যে আলোচনা চলছে তার অংশ হিসাবেই বেসরকারি খাতে তেল আমদানির বিষয়টিও উন্মুক্ত করার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।